হারুন অর রশিদ -নিজস্ব প্রতিবেদক :
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার খুচরা সার বিক্রেতা আইডি কার্ডধারীদের লাইসেন্স বহাল রাখা এবং টি.ও. (ট্রেডিং অর্ডার) লাইসেন্স রক্ষার দাবিতে আলোচনা সভা করেছেন রায়পুরাখুচরা সার বিক্রেতাদের অ্যাসোসিয়েশন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদের প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় এসব দাবি তুলে ধরেন রায়পুরা উপজেলা খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন। সভায় শতাধিক খুচরা সার বিক্রেতা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, খুচরা সার বিক্রেতারা বিসিআইসি (BCIC) ও বিএডিসি (BADC)-এর নিয়ম মেনে ৩০ হাজার টাকা জামানত জমা দিলেও সঠিকভাবে ও নিয়মিত সার পাচ্ছেন না। এতে তারা ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তারা ন্যায্যমূল্যে সার প্রাপ্তির পাশাপাশি খুচরা সার বিক্রেতা আইডি কার্ডধারীদের লাইসেন্স বহাল রাখা এবং টি.ও. লাইসেন্স বাতিল না করার দাবি জানান।
বক্তারা আরও জানান, এসব দাবির বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অবহিত করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামসুদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আসাদ মিয়া, সদস্য তায়েব উদ্দিন ও রেজাউল করিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সংগঠন সূত্রে জানা যায়, রায়পুরা উপজেলায় বর্তমানে ১০১ জন খুচরা সার বিক্রেতা আইডি কার্ডধারী ডিলার রয়েছেন। খুচরা সার বিক্রেতাদের আইডি কার্ডধারী লাইসেন্স ও টি.ও. লাইসেন্স বাতিল হলে তারা মারাত্মক বিপদের মুখে পড়বেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিক্রেতারা।
এ বিষয়ে রায়পুরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজ রহমান বলেন, “খুচরা সার বিক্রেতাদের একটি প্রতিনিধি দল আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের কয়েকটি দাবি তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে খুচরা সার ডিলার বাতিলের প্রস্তাব প্রত্যাহার এবং বিসিআইসি ডিলারের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে সার প্রাপ্তির বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। বিষয়গুলো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

















