হারুন অর রশিদ – রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি :
নরসিংদীর রায়পুরায় ১০ বছরের এক কিশোরীকে মাদ্রাসা শিক্ষক কর্তৃক ধর্ষণের ঘটনায় থানায় ধর্ষণের চেষ্টা মামলা দায়ের হয়েছে।
২৬ এপ্রিল দুপুরে রায়পুরা থানায় এ মামলা দায়ের হয়। মামলা দায়েরের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠে। এ বিষয় দরবারি লোকজন ৩ লক্ষ টাকার বিনিময়ে গোপন দফারফা করে চরম বেআইনী কাজ করেছেন। সেই সকল দরবারিদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানায় তারা।
মহসিন খন্দকার নামে এক শিক্ষক লিখেছেন, ধর্ষকের অন্য কোনো পরিচয় নেই। সে ধর্ষক এটাই তার পরিচয় টাকার বিনিময়ে গোপন রফাদফা করে একটি শিশুর জীবন/ভবিষ্যৎ বিক্রি চরম বেআইনী কাজ।
আর.এস রুবেল আহমেদ নামে একজন লিখেছেন, রায়পুরা মানুষ এখনো চুপ কেন? যারা তিন লাখ টাকার বিনিময়ে ধর্ষণের বিচার মাটি চাপা দিতেছে, তাদেরকে আগে বিচার করা হোক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, টাকায় রফাদফার গ্রাম্য শালিশীর জনক সাবেক মেয়র ও নরসিংদী জেলা বিএনপির সহ-কোষাদক্ষ্য আব্দুল কুদ্দুস মিয়া, পৌর বিএনপির জয়েন্ট সেক্রেটারি ও সাবেক কমিশনার ভুট্টো ও চান্দের কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেজবা উদ্দিন খন্দকার মিতুল৷ সাংবাদিকদের সাথে তাদের নাম প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীর মা।
এরআগে গত ২৪ এপ্রিল রাতে জান্নাতুল বুশরা বালিকা মাদ্রাসার মুহতামিম্ হাফেজ মাওলানা জুনায়েদ আহামদ মাদ্রাসার ভিতর ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে ১ দিন পর বিষয়টি জানাজানির হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বেশকিছু বিএনপির নেতৃবৃন্দ বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা করে। এসময় উত্তেজিত জনগন তাদের কথা না মেনে মাদ্রাসাটিতে ভাংচুর করে। পরে রায়পুরা থানা পুলিশ ঘটনা জানতে পেরে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে ভুক্তভোগীদের থানায় এসে মামলা করার পরামর্শ দেয়।পরদিন (২৬ এপ্রিল) দুপুরে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর মা বাদি হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক জুনায়েদকে প্রধান আসামী করে একটি ধর্ষণের চেষ্টা মামলা দায়ের করে।রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, জান্নাতুল বুশরা বালিকা মাদ্রাসার ছাত্রী দর্শনের অভিযুক্ত শিক্ষক জুনায়েদকে গতকাল রাতে গ্রেফতার করেছি এবং জেল হাজতে প্রেরণ করেছি।
##

















